মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তপশিল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং বিভিন্ন বেসরকারি গণমাধ্যমে তপশিলের এই ঘোষণা সম্প্রচারিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি তপশিল প্রকাশ করেন।
তপশিল অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে গণভোটও একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট চলবে।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখের বেশি। দেশের বাইরে থাকা বাংলাদেশিরাও পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ৩ লাখের বেশি প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।
অন্যদিকে, তপশিল ঘোষণার পর কোনো রাজনৈতিক দল যদি আইন লঙ্ঘন করে, তবে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
আখতার আহমেদ বলেন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে প্রাসঙ্গিক সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছাও প্রয়োজন। আমি মনে করি, তারা আমাদের সহযোগিতা করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনেরই তপশিল ঘোষিত হবে। গাজীপুর ও বাগেরহাটের সীমানা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশোধন করা হচ্ছে।’
দেশে পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররা পোস্টাল ব্যালট ব্যবহার করতে পারবেন। এদের নিবন্ধনের জন্য তৈরি অ্যাপ গুগল ব্যবহারকারীরা প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন, আর অ্যাপল প্ল্যাটফর্মে পরে উন্মুক্ত হবে। তপশিল ঘোষণার পরই নিবন্ধন শুরু হবে। পোলিং অফিসারদের নিবন্ধন ১৬-১৭ ডিসেম্বর, আর আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য ২১-২৫ ডিসেম্বর নির্ধারিত হয়েছে।’
ইতোমধ্যে আচরণবিধি বাস্তবায়ন নিশ্চিতে সারা দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সূত্রে জানা যায়, নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তপশিল ঘোষণার পরদিন থেকে ভোট শেষ হওয়ার দুদিন পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ অনুযায়ী আচরণবিধি তদারকির লক্ষ্যে প্রতি উপজেলা/থানায় অন্তত ২ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং বিভিন্ন বেসরকারি গণমাধ্যমে তফসিলের এই ঘোষণা সম্প্রচারিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি তফসিল প্রকাশ করেন।
তফসিল অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে গণভোটও একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট চলবে।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখের বেশি। দেশের বাইরে থাকা বাংলাদেশিরাও পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ৩ লাখের বেশি প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।
অন্যদিকে, তফসিল ঘোষণার পর কোনো রাজনৈতিক দল যদি আইন লঙ্ঘন করে, তবে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
আখতার আহমেদ বলেন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে প্রাসঙ্গিক সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছাও প্রয়োজন। আমি মনে করি, তারা আমাদের সহযোগিতা করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনেরই তফসিল ঘোষিত হবে। গাজীপুর ও বাগেরহাটের সীমানা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশোধন করা হচ্ছে।’
দেশে পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররা পোস্টাল ব্যালট ব্যবহার করতে পারবেন। এদের নিবন্ধনের জন্য তৈরি অ্যাপ গুগল ব্যবহারকারীরা প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন, আর অ্যাপল প্ল্যাটফর্মে পরে উন্মুক্ত হবে। তফসিল ঘোষণার পরই নিবন্ধন শুরু হবে। পোলিং অফিসারদের নিবন্ধন ১৬-১৭ ডিসেম্বর, আর আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য ২১-২৫ ডিসেম্বর নির্ধারিত হয়েছে।’
ইতোমধ্যে আচরণবিধি বাস্তবায়ন নিশ্চিতে সারা দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সূত্রে জানা যায়, নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে ভোট শেষ হওয়ার দুদিন পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ অনুযায়ী আচরণবিধি তদারকির লক্ষ্যে প্রতি উপজেলা/থানায় অন্তত ২ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে ইসি জানিয়েছে, মাঠ পর্যায়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের সুবিধার্থে প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী, পর্যবেক্ষক দল এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে। কমিশন বলছে, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন তাদের অগ্রাধিকার, আর এজন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ যথাসময়ে বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া দেশজুড়ে লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করতেও দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কাজ চলমান।